কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ এ ০৩:২১ PM
কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ১৪-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৫-০৮-২০২৬
আকস্মিক বন্যায় মৎস্যচাষি ও মৎস্যজীবী ভাইদের করণীয়:
স্বাভাবীক পানি প্রবাহ হঠাৎ করে বা আকস্মিকভাবে কোনো এলাকারয় আঘাত করলে প্রাকৃতিক ও ভেীত-অবকাঠামোসহ মৎস্য সম্পদের ব্যপাক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। এ ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা যেতে পারে:
পুকুর বা জলাশয়ের চারদিক বাঁশের বানা বা ঘন জাল দিয়ে ঘিরে দিন।
এপ্রিল- অক্টোবর (চৈত্র-আশ্বিন) মাসে আকস্মিকবন্যার আগাম সতর্কতা পেতে সজাগ থাকুন। টিভি/ রেডিওতে নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা শুনে বা 1090 নম্বরে ফ্রি ফোন করে বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ বার্তা জানুন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।
পুকুরের/ জলাশয়ের অপেক্ষাকৃত বড় মাছগুলি বিক্রি করার ব্যবস্থা নিন।
বন্যা কবলিত হতে পারে এমন পুকুরের প্রজননক্ষম মাছ ও ছোট মাছগুলিকে সতর্কতার সাথে পুকুরে নেটের তৈরী হাপা বা খাঁচা স্থাপন করে তাতে সংরক্ষণ করুন বা বন্যা-ঝুঁকিমুক্ত জলাশয়ে স্থানান্তর করুন।
পাড়ে বেড়া দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জাল, মাছের খাবার, চুন, অক্সিজেন ও অন্যান্য অনুমোদিত মেডিসিন, প্রয়োজনীয় উপকরণ মজুদ করে রাখুন।
মৎস্যজীবীগণ মাছ ধরার উপকরন (জাল ,নৌকা ইত্যাদি)নিরাপদ স্থানে রাখুন।
নিকটস্থ মৎস্য অফিস ও অন্যান্য সেবা দানকারী সংস্থার সাতে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন।
আকসিম্ক বন্যা পুর্ববর্তী করণীয়-
পুকুর বা জলাশয়ের সুবিধাজনক স্থানে একাধিক জায়গায় ডাল -পালার ঝোপঝাড় দিয়ে মাছের আশ্রয়স্থল বা কাঠা বানিযে নিন যাতে মাছ সেখানে আম্রয নিতে পারে।
মাছকে নিয়মিত দুইবেলা (সকাল সূর্য উঠার দুই ঘন্টা পর এবং বিকার 3-4 টার দিকে) খাদ্য দিতে হবে । দ্রুত আকৃষ্ট হয় এমন খাদ্য/খাদ্য উপকরণ (খৈল,চিটাগুড়া কেঁচো ইত্যাদি)জলাশয়ে নিদিষ্ট দুই বা ততোধিক স্থানে দিতে হবে।
একই এলাকার বন্যার পানিতে ডুবে জাওয়া জলাশয়ের মালিকগণ সমাজ ভিওিক বা যৌথভাবে জার বা বানা দিয়ে ঘেরাও দিয়ে মাছ চাষ ওরক্ষা করার উদ্যোগ নিতে পারেন।
বন্যা কবলিত পুকুরের মাছ খাডিব খাচ্ছে এমন লক্ষন দেখা দিলে এয়ারেটর স্থাপন/পাতিল দিয়ে পানিকে আন্দোলিত করে বা অক্সিজেন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
বন্যা চলাকালীন সময় জলাশয়ে প্রবল স্রোতের মধ্যে মৎস্যজীবীগণ মাছ ধরা থেকে বিরত থাকুন এবং নিজেদের জান-মাল রক্ষায় সচেষ্ট থাকুন। মৎস্যচাষ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পরামর্শ সেবার জন্য অফিস চলাকালীন সময়ে 16126 হট লাইন নম্বরে ফোন করুন।
আকসিম্ক বন্যা পুর্ববর্তী করণীয়-
পুকুর বা জলাশয়ের পাড় ভেঙ্গে গেলে দ্রুত মেরামত করুন বা ভাংগা অংশে জাল/বানা দিয়ে ঘিরে ফেলুন।
বন্যার পানির সাথে বাহির থেকে ভেসে আসা অনাকাঙ্খিত মাছ পুকুরে প্রবেশ করলে তা ধরে রাখুন।
বন্যার পানি নেমে গেলে মৎস্য অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী পুকুরে পরিমাণমত চুন এবং লবণ প্রয়োগ করুন।
বন্যার পানি নেমে গেলে নতুন করে মাছ চাষ শুরু করার পূর্বে মৎস্য অফিসের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
পানিতে প্রাকৃতিক খাবার তৈরি হলে অর্থাৎ পানি সবুজাভ হলে ভাল জাতের বড় আকারের চাপের পোনা নির্দিষ্ট মজুদ ঘনত্ব অনুসারে মজুদ করুন।
জাল টেনে মাছের পরিমান নির্ধারণ করে নিয়মিত ও পরিমত সুষম মৎস্য খাদ্য প্রয়োগ করুন।
পুকুরের পানির গুনুগুন ও মাছের স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষন করুন ।
মাছ বড় হলে আংশিক আহরণ করে মজুদ ঘনত্ব ও পুকুরের ধারন ক্ষমতা ঠিক করুন।
বন্যাকবলিত এরাকায় পানি 3-4 মাস স্থাযি হওয়ার সম্ভবনা থাকলে পেন ও খাঁচায মাছ চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করুন।
মৎস্যজীবীগণ বন্যার পানি নেমে গেলে প্রয়োজনে জাল ও নৌকা মেরামত করুন।
বন্যাকবলিত পুকুরে মাছের রোগ-বালাই বা অন্য কোন সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয় মৎস্য অফিস ও অন্যান্য সেবা দানকারী সংস্থার সাথে যোগাযোগ রাখুন।
ী করণীয়:আকস্মিক বন্যার পুর্বে করনীয়:
আকস্মিক বন্যার পুর্বে করনীয়:
আকস্মিক বন্যার পুর্বে করনীয়: